কলঙ্কের মুক্ত শিকল
দ্রোহের কোন শব্দ নাই তাই বলে নিশ্চুপ থাকা ভাষা বা প্রতিউত্তর হতে পারেনা।যদি আমাদের মানসপটে ওমর, হামজা, খালিদের রক্ত ঝর্ণা বয়ে যায় বলে দাবি করি তাহলে আল্লাহ ঘরে বসে পোস্ট করার মত কুলাঙ্গার আমাদের বানাতো না।হ্যাঁ আমরা নিরুপায় না।প্রতিটি মসজিদে শবেবরাত, শবে কদর, মিলাদের সময় এত লোক গম গম করলেও কেন একত্রে একজোট হয়ে ফিলিস্তিনের জন্য মোনাজাতে অগ্নি বর্ষণ করতে পারিনা?
আমি আরেকটা ওমর আরেকটা হামজার জন্য অপেক্ষা করে দায় সারতে পারি না।
কোন ছবি রিলিজ হলো, কে বেশি ফলোয়ার পেল, BNP নাকি NCP, Foreign নাকি BCS, বাজারের দাম, ইউনুস সাহেবের প্রশংসা, ভারতের সমালোচনা, তুখোর যুক্তি তর্ক কোনটাই আর matter করে না যখন প্রশ্নটা ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মনুষ্যত্বে কামড় দেয়।
ওয়াল্লাহি,আল্লাহর কসম আমি নেতানিয়াহুর জন্য নরপিশাচ হতেও প্রস্তুত। এর কখনো অকাল বা আকস্মিক মৃত্যু না হোক ।ধুকতে ধুকতে জীবনরস তিক্ত হয়ে মমি আকারে লাশ আকারে নিদর্শন হয়ে থাকুক। আমার দেহের পশমের সমসংখ্যক আজাব ওর উপর পতিত হোক। ওদের মেরুদন্ডের মজ্জা মরুর উত্তাপে বিগলিত হোক।
ফিলিস্তিনিদের traumatized হয়ে দীর্ঘ জীবনের আর প্রয়োজন নেই।
আসুন আজকের তাহাজ্জুদ কে দীর্ঘায়িত করি।